1. akaskuakata2020@gmail.com : akas :
  2. bdpc2018@gmail.com : desktop2 :
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
একটি জরুরি ঘোষনা:- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।বরিশাল বিভাগীয় প্রেসক্লাব। যাহার গভ: রেজি: নং- সি-১৪৬৭৫৮। যাহারা গত ১৬/৭/২০২২ ইং তারিখ রোজ শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় বরিশাল বিভাগীয় প্রেসক্লাবের জরুরী সভায়। জমজম টাওয়ার রুপাতলী বরিশাল। যাহারা উপস্থিত হইতে পারেননি তাহারা আগামী ৩০/৭/ ২০২২ ইং তারিখের মধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম.শাহআলম শাহ এর সাথে এই নাম্বারে ০১৭১৫৭১৪ ৯৯৩ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। যাহারা যোগাযোগ করিতে ব্যর্থ হইবেন তাহাদের সদস্য পদ বাতিল ও বহিস্কার বলিয়া গণ্য হইবে । যাহাদের সদস্য পদ ও পদবী বলবৎ থাকিবে তাহারা আগামী ১৫/৮/২০২২ ইং তারিখের মধ্যে সদস্য ফি ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হইয়াছে। সদস‍্য ফি সহ বরিশাল বিভাগীয়  প্রেসক্লাবের (পরিচয় পত্র) আইডি কার্ড  পাওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. শাহআলম শাহ এর সাথে যোগাযোগ করিবেন।এবং যাহারা নতুন সদস্য হইতে চান তাহারা দ্রুত যোগাযোগ করুন।এছাড়াও বরিশাল বিভাগের সকল জেলায়, উপজেলায়, পৌরসভায় দ্রুত কমিটি দেওয়া হইবে। আদেশ ক্রমে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক। যোগাযোগ : সম্পদক : এইচ.এম.শাহআলম শাহ-বরিশাল বিভাগীয় প্রেসক্লাব। মোবাইল নং 01715714993  ।

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সায়মন ড্রিং আর নেই

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১
  • ৬৭৭ বার

ব্রিটিশ সাংবাদিক ও বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সায়মন ড্রিং আর নেই। গত শুক্রবার (১৬ জুলাই) রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। সায়মন ড্রিং স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাইমন ড্রিংয়ের একসময়ের সহকর্মী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল। তিনি বলেন, আমরা জেনেছি তিনি আর নেই।

এছাড়াও তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক তুষার আব্দুল্লাহ। তারা দুজনই মরহুমের সাবেক সহকর্মী ছিলেন।

সায়মন ড্রিং একমাত্র সাংবাদিক, যিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের ভয়াবহতা ও নৃশংসতার শুরু থেকেই প্রতিবেদন করছিলেন। বাংলাদেশ থেকে তাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছিল।

রয়টার্স, টেলিগ্রাফ ও বিবিসির হয়ে সাইমন ড্রিং দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বৈদেশিক সংবাদদাতা, টেলিভিশন উপস্থাপক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে। পেয়েছেন বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টার অব দ্য ইয়ার-১৯৭১। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বন্ধু হিসেবে ২০১২ সালে সাইমন ড্রিংকে সম্মাননা দেয় সরকার।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মার্চের ৬ তারিখে কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় চলে আসেন। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছিলেন। সে সময় পাকিস্তানি জান্তা বিদেশি সাংবাদিকদের বাংলাদেশ অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য করলেও তিনি গোপনে থেকে যান। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হোটেলেই লুকিয়ে ছিলেন।

২৭ মার্চ সকালে কারফিউ উঠে গেলে হোটেলের কর্মচারীদের সহযোগিতায় ছোট্ট একটি মোটরভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ ব্যারাক ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা। এরপর লেখেন ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান’ শিরোনামের এক প্রতিবেদন। যা গণহত্যার বিস্তারিত ওঠে আসে। আজ নজর কাড়ে বিশ্ববাসীর।

সাইমন ড্রিংয়ের জন্ম ইংল্যান্ডে, ১৯৪৫ সালে। তিনি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন ১৮ বছর বয়স থেকে। দেখেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন নানা দেশের অসংখ্য সহমর্মী মানুষ। যুদ্ধের মাঠে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে, শরণার্থীশিবিরে, প্রতিবাদে বা জনমত গঠনে কঠিন সেই সময়ে তারা ভূমিকা রেখেছেন। তাদের একজন সাইমন ড্রিং।

সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এ জাতীয় আরো খবর

আজকের বাংলা তারিখ

  • আজ বুধবার, ১৯শে জুন, ২০২৪ ইং
  • ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
  • ১২ই জ্বিলহজ্জ, ১৪৪৫ হিজরী
  • এখন সময়, বিকাল ৫:৩৪